Sunday, December 18, 2011
দেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ – “দোয়েল ল্যাপটপ” (দাম ও কিছু ছবি)
খবরটি জেনেছি একটি ব্লগ থেকে। পরে "দোয়েল ল্যাপটপ" লিখে সার্চ দিলাম গুগল এ কিন্তু এটির কোন নিজস্ব ওয়েবসাইট পেলাম না। পরে ফেসবুক এ এদের ফ্যান পেজ পেলাম কিন্তু এটি অফিসিয়াল ফ্যান পেজ নয়। এই পেজ এ অনেক তথ্য পেলাম দাম ও এদের খারখানা সম্বন্ধে। টেলিফোন শিল্প সংস্থা ও মালয়েশিয়ান একটি কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে ল্যাপটপ এখন বাংলাদেশেই তৈরি হবে। আনুষ্ঠানিক ভাবে বাজারে ল্যাপটপটি এসেছি কিনা তা কেও জানে না এবং কথাও উল্লেখ করা নেই তবে খুব শিগগিরই এটি বাজারে আসবে আশা করি।
নিচে ছবি দেওয়া হল ল্যাপটপ এবং এর কারখানার:
ফেসবুক ফ্যান পেজ এর লিঙ্কঃ http://www.facebook.com/DoelLaptopBangladesh
অনেকদিন পর বাংলাই না লেখার কারণে, এই পোস্টটি লিখেতে লেগেছে আধা ঘণ্টা ! কষ্ট করে বাংলা লেখাটাও আনন্দের
ভাল থাকবেন সবাই।
নিচে ছবি দেওয়া হল ল্যাপটপ এবং এর কারখানার:
ফেসবুক ফ্যান পেজ এর লিঙ্কঃ http://www.facebook.com/DoelLaptopBangladesh
অনেকদিন পর বাংলাই না লেখার কারণে, এই পোস্টটি লিখেতে লেগেছে আধা ঘণ্টা ! কষ্ট করে বাংলা লেখাটাও আনন্দের
ভাল থাকবেন সবাই।
কি কি থাকছে বাংলাদেশে তৈরি DOEL NETBOOK/NOTEBOOK (দোয়েল নেটবুক) এ ?
আজ সকালে গেলাম বাংলাদেশ উদ্ভাবনী মেলায় । সেখানে গিয়ে দেখা হলো বাংলাদেশে তৈরি দোয়েল নেটবুকের সাথে। অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম কেমন হবে দেখতে দেশে তৈরি এই নেটবুক? আজ তার দেখা মিললো। আশা করা যাচ্ছে আগামি বছরের মধ্যেই এটি আমাদের হাতে চলে আসবে। দাম হবে ১২০০০ থেকে ১৪০০০ টাকা। এবার আসুন এক ঝলকে দেখে নেই কি কি থাকছে এই নেটবুকে।

চিত্র – ২

চিত্র - ৩

চিত্র - ৪

যদি আসলেই দামটা ১৪০০০ টাকার মধ্যে হয় তাহলে ভাল। কিন্তু এর বেশি হলে মনে হয়না খুব একটা কাজে আসবে কারণ এখন মার্কেটে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে প্রায় ছয় ঘন্টা ব্যাকআপ ও LED Screen সহ নেট বুক পাওয়া যাচ্ছে। যদিও মেলায় এটাকে নোটবুক বলা হয়েছে কিন্তু আমার এটাকে নেটবুক মনে হয়েছে তাই আমি এখানে এটাকে নেটবুক বলেছি। ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী।
আমি You Tube এ এর একটি ভিডিও আপলোড করেছি , ইচ্ছে হলে নিচের লিংক থেকে দেখে নিতে পারেন।
- ১) ১০.১ ইঞ্চি মনিটর
- ২) ইন্টেল আ্যাটম N455 ১.৬৬ গিগার্হাজ প্রসেসর
- ৩) ১ গিগাবাইট র্যা ম DDR3
- ৪) ২৫০ গিগাবাইট মেমোরি
- ৫) WiFi
- ৬) 2 USB Port
- ৭) 1.3 Mega Pixel ওয়েব ক্যামেরা
- ৮) Three cell Battery দুই ঘন্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ
- ৯) Three in one card reader
- ১০) দাম ১২০০০ টাকা থেকে ১৪০০০ টাকার মধ্যে হবে ১১) ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স (তবে এখানে উইনডোস ৭ দেখানো হয়েছে)
চিত্র – ২
চিত্র - ৩
চিত্র - ৪
যদি আসলেই দামটা ১৪০০০ টাকার মধ্যে হয় তাহলে ভাল। কিন্তু এর বেশি হলে মনে হয়না খুব একটা কাজে আসবে কারণ এখন মার্কেটে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে প্রায় ছয় ঘন্টা ব্যাকআপ ও LED Screen সহ নেট বুক পাওয়া যাচ্ছে। যদিও মেলায় এটাকে নোটবুক বলা হয়েছে কিন্তু আমার এটাকে নেটবুক মনে হয়েছে তাই আমি এখানে এটাকে নেটবুক বলেছি। ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী।
আমি You Tube এ এর একটি ভিডিও আপলোড করেছি , ইচ্ছে হলে নিচের লিংক থেকে দেখে নিতে পারেন।
Bangladeshi laptop Doel
On 11th October 2011, Prime Minister Sheikh Hasina formally inaugurated the locally made laptop named after the national bird Doel. These laptops will be available at a very low price for students and general people with a view to establishing Digital Bangladesh.
Bangladesh Telephone Shilpa Shangstha (TESIS) declared that they would provide Doel at a minimum price of Tk. 10,000/-. This is really good news for us. I congratulate the government on taking this timely step towards digitalisation of the country.
Bangladesh Telephone Shilpa Shangstha (TESIS) declared that they would provide Doel at a minimum price of Tk. 10,000/-. This is really good news for us. I congratulate the government on taking this timely step towards digitalisation of the country.
Bangladesh has unveiled a domestically made laptop which officials claim is one of the cheapest in the world.
Prime Minister Sheikh Hasina launched the computer, named Doel, at a ceremony in the capital Dhaka on Tuesday. It is the first laptop made in the country.
The state-owned telecoms company Telephone Shilpa Sangstha (TSS) is producing four models of the laptop.
The most basic one is priced at 10,000 taka ($130/£83). The primary model runs the android operating system.
"This is a big step towards building a digital Bangladesh. When villages get laptops at a cheaper price they will be connected to the internet and that will bring lots of benefits," TSS managing director Mohammad Ismail told the BBC.
Initially, the laptop will be distributed to various government departments. But later on they will be made available to the public and to tens of millions of students.
Mr Ismail said that at the moment Bangladesh is producing 10% of the components for the laptop and the rest are imported.
"But within six months we will be able to produce 60% of the components," he said.
However, the country's internet connectivity remains poor and critics have raised doubts whether the distribution of laptops alone will help the country to connect digitally.
The government has launched an ambitious plan, known as Digital Bangladesh, with the aim of digitally connecting the country by 2021.
"Every part of the country will be brought under e-governance, while the telecommunication system is being modernised to cut the digital divide," Sheikh Hasina said during the inauguration.
The state-owned telecoms company Telephone Shilpa Sangstha (TSS) is producing four models of the laptop.
The most basic one is priced at 10,000 taka ($130/£83). The primary model runs the android operating system.
"This is a big step towards building a digital Bangladesh. When villages get laptops at a cheaper price they will be connected to the internet and that will bring lots of benefits," TSS managing director Mohammad Ismail told the BBC.
Initially, the laptop will be distributed to various government departments. But later on they will be made available to the public and to tens of millions of students.
Mr Ismail said that at the moment Bangladesh is producing 10% of the components for the laptop and the rest are imported.
"But within six months we will be able to produce 60% of the components," he said.
However, the country's internet connectivity remains poor and critics have raised doubts whether the distribution of laptops alone will help the country to connect digitally.
The government has launched an ambitious plan, known as Digital Bangladesh, with the aim of digitally connecting the country by 2021.
"Every part of the country will be brought under e-governance, while the telecommunication system is being modernised to cut the digital divide," Sheikh Hasina said during the inauguration.
Saturday, November 26, 2011
ইন্টারনেট থেকে আয় : ডাটা এন্ট্রি করে উপার্জন করুন
ডাটা এন্ট্রি করে অর্থ উপার্জনের জন্য আপনার একটিমাত্র দক্ষতাই প্রয়োজন, দ্রুত এবং নিখুতভাবে টাইপ করতে জানা। কাজ পাওয়া যায় খুব সহজেই।
বিশ্বের বহু কোম্পানী রয়েছে যাদের লক্ষ লক্ষ ফরম পুরন করা প্রয়োজন, অথচ একাজের জন্য পর্যাপ্ত লোক নেই। তারা দ্রুতই জেনে গেছে ইন্টারনেট এই কাজের জন্য উপযোগি মাধ্যম। খুব সহজে ব্যক্তি বা প্রতিস্ঠানের কাছ থেকে এই কাজ করিয়ে নেয়া যায়।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যে ফরমগুলি পুরন করতে হয় সেগুলি ছোট। প্রতি ফরমের জন্য ৩০ থেকে ৫০ ডলার পাওয়া যায়। দিনে ৩০০ থেকে ২০০০ আয় করা অসম্ভব না। শুনে অবাক হতে পারেন, এই কাজ করে মাসে ৪০ হাজার ডলার আয় করার উদাহরন রয়েছে। অন্য কাজে জড়িত থাকলেও সপ্তাহে এক বা দুদিন একাজের জন্য বরাদ্দ রেখে অতিরিক্ত আয় করা যেতে পারে।
এজন্য আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে কাজের মধ্যস্থতা করে এমন প্রতিস্ঠানের সাথে। আউটসোর্সিং এর জন্য বিভিন্ন সাইট রয়েছে।
মাই-ডাটা টিম এজন্য একটি স্বীকৃত ওয়েবসাইট। এখানে যোগাযোগ করতে পারেন।
http://www.my-data-team.com/
এখানে সদস্য হওয়ার জন্য কিংবা কাজ পাওয়ার জন্য কোন ফি দিতে হয় না। ১৭ হাজারের বেশি কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ রয়েছে তাদের। তাদের দাবী, তাদের কাছেও তারা টাকা নেয় না।
কাজ শুরুর জন্য প্রথমে তারা আপনাকে কিছু ডাটা দেবে এন্ট্রি করে নির্দিস্ট যায়গায় পাঠানোর জন্য। তাদের কর্মী হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য সেগুলি ঠিকভাবে এন্ট্রি করাই যথেষ্ট।
এছাড়া আপনার টাকা পাওয়ার জন্য পে-লিংক একাউন্টে নাম লেখাতে হয়। সেই তথ্য অনুযায়ী তারা আপনার নামে চেক অথবা অন্য মাধ্যমে টাকা পাঠাবে।
এছাড়া কাজ করার জন্য সব ধরনের পরামর্শ থেকে শুরু করে ই-মেইল সাপোর্ট সবকিছুই পাওয়া যাবে তাদের কাছ থেকে।
স্বল্পকালীন কাজ
ফ্রিল্যান্সার, ওডেস্ক এর মত ক্রাউড সোর্সিং ওয়েবসাইটের সদস্য হতে পারেন। সেখানে প্রতিনিয়ত নানাধরনের কাজ জমা হয়। পার্টটাইম, ফুলটাইম সবধরনের ডাটাএন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় সেখানে। কাজের ধরন, সংক্ষিপ্ত বর্ননা, আনুমানিক পেমেন্ট ইত্যাদি উল্লেখ করা থাকে। পছন্দমত কাজের লিংকে ক্লিক করে কত টাকায় করতে চান জানালে তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। এই সাইটেই কিছু কাজের নমুনা রয়েছে। সেখানে কাজের নিয়ম হল প্রথমে সদস্য হতে হয়। সদস্য হওয়া বা কাজ পাওয়া, করা কোনটিতেই খরচ নেই, তারা আয় থেকে কিছু কমিশন (১০%) রেখে দেয়। বড় ধরনের কাজ নিয়ে একাধিক ব্যক্তি মিলেও করতে পারেন। বাংলাদেশে এধরনের দল গড়ে কাজ করার উদাহরন রয়েছে।
ডাটা এন্ট্রির মত একই ধরনের অন্যান্য কাজও পাবেন এধরনের সাইটে। সদস্য হওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন নিজস্ব ইমেইল এড্রেস। সদস্য হবেন এখান থেকে www.freelancer.com
অথবা আগে সদস্য হলে সরাসরি এই সাইট থেকেই কাজের জন্য আবেদন করতে পারেন। দেরী না করে কাজ শুরু করুন।
বিশ্বের বহু কোম্পানী রয়েছে যাদের লক্ষ লক্ষ ফরম পুরন করা প্রয়োজন, অথচ একাজের জন্য পর্যাপ্ত লোক নেই। তারা দ্রুতই জেনে গেছে ইন্টারনেট এই কাজের জন্য উপযোগি মাধ্যম। খুব সহজে ব্যক্তি বা প্রতিস্ঠানের কাছ থেকে এই কাজ করিয়ে নেয়া যায়।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যে ফরমগুলি পুরন করতে হয় সেগুলি ছোট। প্রতি ফরমের জন্য ৩০ থেকে ৫০ ডলার পাওয়া যায়। দিনে ৩০০ থেকে ২০০০ আয় করা অসম্ভব না। শুনে অবাক হতে পারেন, এই কাজ করে মাসে ৪০ হাজার ডলার আয় করার উদাহরন রয়েছে। অন্য কাজে জড়িত থাকলেও সপ্তাহে এক বা দুদিন একাজের জন্য বরাদ্দ রেখে অতিরিক্ত আয় করা যেতে পারে।
এজন্য আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে কাজের মধ্যস্থতা করে এমন প্রতিস্ঠানের সাথে। আউটসোর্সিং এর জন্য বিভিন্ন সাইট রয়েছে।
মাই-ডাটা টিম এজন্য একটি স্বীকৃত ওয়েবসাইট। এখানে যোগাযোগ করতে পারেন।
http://www.my-data-team.com/
এখানে সদস্য হওয়ার জন্য কিংবা কাজ পাওয়ার জন্য কোন ফি দিতে হয় না। ১৭ হাজারের বেশি কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ রয়েছে তাদের। তাদের দাবী, তাদের কাছেও তারা টাকা নেয় না।
কাজ শুরুর জন্য প্রথমে তারা আপনাকে কিছু ডাটা দেবে এন্ট্রি করে নির্দিস্ট যায়গায় পাঠানোর জন্য। তাদের কর্মী হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য সেগুলি ঠিকভাবে এন্ট্রি করাই যথেষ্ট।
এছাড়া আপনার টাকা পাওয়ার জন্য পে-লিংক একাউন্টে নাম লেখাতে হয়। সেই তথ্য অনুযায়ী তারা আপনার নামে চেক অথবা অন্য মাধ্যমে টাকা পাঠাবে।
এছাড়া কাজ করার জন্য সব ধরনের পরামর্শ থেকে শুরু করে ই-মেইল সাপোর্ট সবকিছুই পাওয়া যাবে তাদের কাছ থেকে।
স্বল্পকালীন কাজ
ফ্রিল্যান্সার, ওডেস্ক এর মত ক্রাউড সোর্সিং ওয়েবসাইটের সদস্য হতে পারেন। সেখানে প্রতিনিয়ত নানাধরনের কাজ জমা হয়। পার্টটাইম, ফুলটাইম সবধরনের ডাটাএন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় সেখানে। কাজের ধরন, সংক্ষিপ্ত বর্ননা, আনুমানিক পেমেন্ট ইত্যাদি উল্লেখ করা থাকে। পছন্দমত কাজের লিংকে ক্লিক করে কত টাকায় করতে চান জানালে তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। এই সাইটেই কিছু কাজের নমুনা রয়েছে। সেখানে কাজের নিয়ম হল প্রথমে সদস্য হতে হয়। সদস্য হওয়া বা কাজ পাওয়া, করা কোনটিতেই খরচ নেই, তারা আয় থেকে কিছু কমিশন (১০%) রেখে দেয়। বড় ধরনের কাজ নিয়ে একাধিক ব্যক্তি মিলেও করতে পারেন। বাংলাদেশে এধরনের দল গড়ে কাজ করার উদাহরন রয়েছে।
ডাটা এন্ট্রির মত একই ধরনের অন্যান্য কাজও পাবেন এধরনের সাইটে। সদস্য হওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন নিজস্ব ইমেইল এড্রেস। সদস্য হবেন এখান থেকে www.freelancer.com
অথবা আগে সদস্য হলে সরাসরি এই সাইট থেকেই কাজের জন্য আবেদন করতে পারেন। দেরী না করে কাজ শুরু করুন।
- Labels: ইন্টারনেট থেকে আয়
- (0) Comments
ইন্টারনেট থেকে আয় : ফাইল আপলোড করে উপার্জন করুন
ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করতে চান ? খুব সহজে ?
করতে পারেন। ইন্টারনেটে ফাইল আপলোড করুন। যখনই কেউ সেই ফাইল ডাউনলোড করবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য আপনি টাকা পাবেন। কি আপলোড করবেন তা নিয়েও ভাবার কিছু নেই। বিভিন্ন টরেন্ট সাইট, ইউটিউব যেখান থেকেই হোক না কেন, জনপ্রিয় ফাইল ডাউনলোড করে আপলোড করুন।
ফাইল শেয়ারিং ইন্টারনেটের জনপ্রিয় একটি ব্যবস্থা। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ সফটঅয়্যার, গেম, ভিডিও, অডিও থেকে শুরু করে সব ধরনের ফাইল আদান-প্রদান করছে। যে সাইটগুলি এই কাজ পরিচালনা করে তারাও নিজেরা অর্থ বানাচ্ছে বিজ্ঞাপন সহ অন্যান্য পদ্ধতিতে। ধরে নিতে পারেন এটা তারই অংশ। যে সাইটে বেশি ডাউনলোডের জিনিষপত্র থাকে সেখানে ভিজিটর বেশি, কাজেই তারা একাজে কিছু অর্থ ব্যয় করে।
এজন্য আপনার প্রয়োজন শুধুমাত্র একটি ভাল ইন্টারনেট সংযোগ।
বিনামুল্যে এই সেবা দেয় এমন একটি সাইটে গিয়ে রেজিষ্টার করুন। ফাইল আপলোড করুন। সাথেসাথে আয় আসতে শুরু করবে।
এধরনের একটি সাইট শেয়ারক্যাশ। এখানে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায়। আপলোড করা প্রতিটি ফাইলের সাইজ সর্ব্বোচ্চ ২০০ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারবে।
ভিডিওসহ আরো বড় ফাইল আপলোডের জন্য বিকল্প পথ রয়েছে। পাশওয়ার্ডসহ জিপ করে ফাইলটি আপলোড করুন পাইরেট-বে কিংবা এধরনের সাইটে। পাশওয়ার্ডটি আপলোড করুন এদের কাছে। মুল ফাইলের সাথে টেক্সট ফাইলে লিখে দিন পাশওয়ার্ড কোথায় থেকে ডাউনলোড করতে হবে।
কিছু নিয়ম অবশ্যই রয়েছে। কপিরাইট আইন ভঙ্গ করবেন না, পনোর্গ্রাফি আপলোড করবেন না ইত্যাদি।
শেয়ারক্যাশ আপনাকে টাকা দেবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য ৩০ থেকে ৬০ সেন্ট। আমেরিকা, বৃটেন ইত্যাদি দেশের জন্য ৬০ সেন্ট, ছোট দেশের জন্য কম এই নিয়মে। প্রতি ১০০ ডাউনলোডের জন্য পাবেন ৩০ থেকে ৬০ ডলার, প্রতি হাজারে ৩০০ থেকে ৬০০ ডলার।
তারা টাকা দেবে চেক অথবা পে-পলের মাধ্যমে।
যদি এই পদ্ধতি সফল হয়, দ্রুতগতির কানেকশনসহ ডেডিকেটেড সার্ভার ভাড়া করে আয় করতে পারেন আরো অনেক বেশি।
শেয়ারক্যাশে রেজিষ্টার করতে হবে এখান থেকে
http://sharecash.org/
করতে পারেন। ইন্টারনেটে ফাইল আপলোড করুন। যখনই কেউ সেই ফাইল ডাউনলোড করবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য আপনি টাকা পাবেন। কি আপলোড করবেন তা নিয়েও ভাবার কিছু নেই। বিভিন্ন টরেন্ট সাইট, ইউটিউব যেখান থেকেই হোক না কেন, জনপ্রিয় ফাইল ডাউনলোড করে আপলোড করুন।
ফাইল শেয়ারিং ইন্টারনেটের জনপ্রিয় একটি ব্যবস্থা। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ সফটঅয়্যার, গেম, ভিডিও, অডিও থেকে শুরু করে সব ধরনের ফাইল আদান-প্রদান করছে। যে সাইটগুলি এই কাজ পরিচালনা করে তারাও নিজেরা অর্থ বানাচ্ছে বিজ্ঞাপন সহ অন্যান্য পদ্ধতিতে। ধরে নিতে পারেন এটা তারই অংশ। যে সাইটে বেশি ডাউনলোডের জিনিষপত্র থাকে সেখানে ভিজিটর বেশি, কাজেই তারা একাজে কিছু অর্থ ব্যয় করে।
এজন্য আপনার প্রয়োজন শুধুমাত্র একটি ভাল ইন্টারনেট সংযোগ।
বিনামুল্যে এই সেবা দেয় এমন একটি সাইটে গিয়ে রেজিষ্টার করুন। ফাইল আপলোড করুন। সাথেসাথে আয় আসতে শুরু করবে।
এধরনের একটি সাইট শেয়ারক্যাশ। এখানে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায়। আপলোড করা প্রতিটি ফাইলের সাইজ সর্ব্বোচ্চ ২০০ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারবে।
ভিডিওসহ আরো বড় ফাইল আপলোডের জন্য বিকল্প পথ রয়েছে। পাশওয়ার্ডসহ জিপ করে ফাইলটি আপলোড করুন পাইরেট-বে কিংবা এধরনের সাইটে। পাশওয়ার্ডটি আপলোড করুন এদের কাছে। মুল ফাইলের সাথে টেক্সট ফাইলে লিখে দিন পাশওয়ার্ড কোথায় থেকে ডাউনলোড করতে হবে।
কিছু নিয়ম অবশ্যই রয়েছে। কপিরাইট আইন ভঙ্গ করবেন না, পনোর্গ্রাফি আপলোড করবেন না ইত্যাদি।
শেয়ারক্যাশ আপনাকে টাকা দেবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য ৩০ থেকে ৬০ সেন্ট। আমেরিকা, বৃটেন ইত্যাদি দেশের জন্য ৬০ সেন্ট, ছোট দেশের জন্য কম এই নিয়মে। প্রতি ১০০ ডাউনলোডের জন্য পাবেন ৩০ থেকে ৬০ ডলার, প্রতি হাজারে ৩০০ থেকে ৬০০ ডলার।
তারা টাকা দেবে চেক অথবা পে-পলের মাধ্যমে।
যদি এই পদ্ধতি সফল হয়, দ্রুতগতির কানেকশনসহ ডেডিকেটেড সার্ভার ভাড়া করে আয় করতে পারেন আরো অনেক বেশি।
শেয়ারক্যাশে রেজিষ্টার করতে হবে এখান থেকে
http://sharecash.org/
- Labels: Blogging and Earning
- (0) Comments
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন : গুগল এডসেন্স থেকে আয় করার পদ্ধতি
ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করার জন্য গুগল এডসেন্স অত্যন্ত কার্যকর একটি পদ্ধতি। আপনি নিশ্চয়ই জানেন সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে গুগলের তুলনা নেই। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করে তারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিস্ঠান। ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনের একটি অংশ এডসেন্স।
প্রথমেই প্রশ্ন করা স্বাভাবিক, এডসেন্স কি ? এককথায় এডসেন্স হচ্ছে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন রাখার জন্য গুগলের একটি পদ্ধতি। আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নিশ্চয়ই বিভিন্ন লিংক দেখেছেন যার পাশে Ads by Google লেখা।এগুলিই এডসেন্স বিজ্ঞাপন। আপনার ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য এডসেন্স এর রেজিষ্ট্রেশন করাই যথেষ্ট। এরপর ওয়েবপেজে কোন ভিজিটর যখন কোন লিংকে ক্লিক করবেন তখন সেই সাইটের মালিক হিসেবে আপনি টাকা পাবেন। প্রতি ক্লিকের জন্য কয়েক সেন্ট থেকে শুরু করে কয়েক ডলার পর্যন্ত। মাসে আয় হতে পারে কয়েকশ ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার। ফল পাওয়া যায় সাথেসাথে।
এডসেন্স কিভাবে কাজ করে জানার জন্য আরো কিছু বিষয়ে ধারনা থাকা প্রয়োজন। যেমন গুগল এডওয়ার্ডস। কোন কোম্পানী বা ব্যক্তি যদি গুগলকে ব্যবহার করে ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দিতে চান তাহলে তাকে বলতে হয়, আমি অমুক বিজ্ঞাপন অত দিনের জন্য দিতে চাই, প্রতি ক্লিকের জন্য অত পরিমান টাকা দেব। তাদের সাথে গুগলের চুক্তি এটুকুই। এটাই এডওয়ার্ডস।
ধরুন কোন কোম্পানী তার পন্যের বিজ্ঞাপনের জন্য গুগলের সাথে যোগাযোগ করল মাসে ১০ হাজার ডলারের। প্রতি ক্লিকে তারা ১ ডলারের বেশি দেবে না।
গুগল তাদের বিজ্ঞাপনকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেয়। আপনি এডসেন্সের সদস্য হলে আপনার ওয়েবসাইটেও সেটা পেতে পারেন। কেউ সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার একাউন্টে ১ ডলার হিসেব জমা হবে। আপনি যে কোন সময় আপনার হিসেব জানার সুযোগ পাবেন। মাসে একবার যদি বিল করতে চান তাহলে বিল করলে আপনার ঠিকানায় চেক পাঠাবে গুগল।
এখানে লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, যে কোম্পানীর এডসেন্স বিজ্ঞাপন সে জানে না তার বিজ্ঞাপন কোথায় দেখা যাবে। আপনিও কখনো নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ পাবেন না ঠিক কোন বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে পাবেন। যেহেতু বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের জন্য মুল্য বিভিন্ন রকম, আপনার ওয়েবসাইটে প্রতিক্লিকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন অর্থ পেতে পারেন। আপনার রিপোর্ট দেখে জানতে পারেন কোন ক্লিকের জন্য কত জমা হয়েছে। অভিজ্ঞতা বাড়লে কমটাকার ক্লিকের থেকে বেশিটাকার ক্লিকের বিজ্ঞাপনে বাছাইএর ব্যবস্থা করা যায়। তবে আগেই জানিয়ে রাখা ভাল, প্রতি ক্লিকে বেশি টাকা হলেই আপনি বেশি টাকা পাবেন এমন নিশ্চয়তা নেই। ভিজিটর যদি বেশি টাকার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার চেয়ে কমটাকার লিংকে নিয়মিত ক্লিক করে তাহলে আপনার আয়ের সম্ভাবনা বেশি।
মুল বিষয় হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর যত বেশি, ক্লিক করার সম্ভাবনা তত বেশি। আয় তত বেশি।
কাজটি কিভাবে করা সম্ভব দেখা যাক। আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। এখনও যদি না থাকে তাহলেও এই মুহুর্তেই সেটা শুরু করতে পারেন।
১. Blogger.com সাইটে গিয়ে একটি ব্লগ তৈরী করুন। কয়েকটি ক্লিক করাই যথেষ্ট। এজন্য আপনার একটি ইমেইল এড্রেস প্রয়োজন হবে।
২. পছন্দমত টেম্পলেট বাছাই করুন। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নানাধরনের ব্লগার টেম্পলেট পাওয়া যায়। পছন্দমত কোন একটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। শুরুতেই করতে হবে এমন কথা নেই, যে কোন সময় টেম্পলেট পরিবর্তন করে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বাড়ানো যাবে।
৩. ব্লগ পোষ্ট লিখতে শুরু করুন। কি নিয়ে লিখবেন ? আপনার যা ইচ্ছে। যদি গেম খেলতে ভালবাসেন গেমের রিভিউ লিখুন, মুভি দেখলে মুভির রিভিউ-খবর ইত্যাদি লিখুন। চারিদিকে লেখার মত বিষয়ের অভাব নেই।
৪. এডসেন্স একাউন্ট খুলুন। ব্লগার সাইটে এজন্য লিংক পাবেন। এখানে আপনার সাইটের ঠিকানা এবং পরিচিতি, আপনার ঠিকানা এসব তথ্য দিয়ে ফরম পুরন করতে হবে। এই ঠিকানায় আপনার নামে চেক পাঠানো হবে। আপনার সাইটে কোথায়, কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখা যাবে সেটা সিলেক্ট করলে তারাই বলে দেবে কিভাবে সেটা করতে হবে।
৫. বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে আপনার ব্লগের পরিচিতি লিখে দিন। ফলে সার্চ করে আপনার ব্লগ পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে, সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে প্রচার বাড়ান।
অল্পকথায় কাজ এটুকুই। এরপর একটু একটু করে আরো জানতে চেষ্টা করুন কিভাবে সাইটকে আরো উন্নত করা যায়, কিভাবে ভিজিটর বাড়ানো যায়, বিজ্ঞাপন কিভাবে রাখলে বেশি আয় করা যায়। এখানে কিছু সাধারন তথ্য উল্লেখ করা হচ্ছে;
১. ক্লিক করলেই আয় হয় একথা ভেবে নিজেই বারবার ক্লিক করবেন না। গুগল খুব সহজেই আপনার ক্লিক এবং ভিজিটরের ক্লিক চিনতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার এডসেন্স রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করা হবে।
২. বেশি ভিজিটর পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি ভাল ওয়েবসাইট তৈরী। অন্যভাবে, ভিজিটরের আগ্রহ থাকে এমন বিষয় রাখা। ভুলে যাবেন না গুগল মুলত সার্চ ইঞ্জিন। কোন ওয়েব সাইট সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বেশি, কোথায় কত ভিজিটর যায়, কতক্ষন থাকে, কি করে এসব তথ্য তাদের চেয়ে ভাল অন্য কেউ জানে না। তাদের ঠকাতে চেষ্টা করবেন না। সাইটের প্রচার এবং মুল সাইটের বিষয়ের মধ্যে গড়মিল করবেন না।
৩. আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন পাবেন সাইটের বিষয়ের সাথে মিল রেখে। যেমন বইয়ের সাইট হলে বিভিন্ন প্রকাশক, বই বা বিক্রেতার বিজ্ঞাপন, ফটোগ্রাফি সাইট হলে ক্যামেরা, নির্মাতা বা বিক্রেতার বিজ্ঞাপন ইত্যাদি। এডসেন্সে সাধারনভাবে মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং আপনার সাইটেও সেসম্পর্কিত তথ্য রাখুন।
৪. বিনে টাকায় শুরু করার জন্য গুগলের ব্লগার অবশ্যই ভাল যায়গা। আপনার কোন খরচই নেই। তাহলেও দীর্ঘ্যস্থায়ী সাইটের জন্য নিজস্ব ডোমেইন নেম, নিজস্ব হোষ্ট থাকাই ভাল। সেক্ষেত্রে ব্লগার ছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্লগার সহজ, কিন্তু ব্লগারের তুলনায় এগুলিতে কাষ্টমাইজ করার সুবিধে অনেক বেশি।
জানার জন্য এটুকু উল্লেখ করা যায়, ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ তৈরী করতে খরচ নেই কিন্তু সেখানে গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায় না। আর জুমলায় ফ্রি হোষ্টিং এর ব্যবস্থা নেই। ব্লাগার ছাড়াও আরো কিছু সাইট ফ্রি হোষ্টিং এর সুবিধে দেয়। এদের মধ্যে Tumblr এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
৫. সাধারনত বিজ্ঞাপন দেয়া হয় বিক্রির জন্য (পন্য অথবা সেবা)। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অনলাইন লেনদেন এর সম্ভাবনা বেশি। অথচ বাংলাদেশে অনলাইনে কেনাকাটার ব্যবস্থা নেই। অন্যভাবে বললে, বাংলাদেশ থেকে কেউ কিছু কেনার জন্য সাধারনত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে না। কাজেই বাংলায় ওয়েবসাইট তৈরী করলে এমনিতেই ক্লিকের সম্ভাবনা কমে যায়। যদি সম্ভব হয় সারা বিশ্বের জন্য ইংরেজিতে ওয়েবসাইট তৈরী করুন।
নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, নিজের খরচ চলার মত আয় পেতে কতটা সময় লাগতে পারে ?
খুবই গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন। এতে এমন জাদুকরী কিছু নেই যে রাতারাতি আপনি হাজার ডলার আয় করবেন। হাজার ডলার আয়ের জন্য অন্তত দুতিন বছর ক্রমাগত চেষ্টা করে ওয়েবসাইট উন্নত করার চেষ্টা করতে হতে পারে। এটুকু বলা যায়, একসময় ফল পাওয়া যাবেই। কাজেই দেরী না করে শুরু করাই উত্তম। এখনও যাকিছু শিখতে বাকি আছে সেগুলি ক্রমে শিখে নেয়া যাবে।
উন্নতমানের ওয়েবসাইট তৈরী, ওয়েবসাইটের প্রচার বাড়ানো, সার্চ ইঞ্জিন যেন সহজে খুজে পায় সে ব্যবস্থা করা (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও), এডসেন্স বাছাই করা, নির্দিষ্ট এডসেন্স ব্লক করা, এডসেন্স ছাড়াও আয়ের অন্যান্য পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে আগামীতে লেখা হবে।
প্রথমেই প্রশ্ন করা স্বাভাবিক, এডসেন্স কি ? এককথায় এডসেন্স হচ্ছে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন রাখার জন্য গুগলের একটি পদ্ধতি। আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নিশ্চয়ই বিভিন্ন লিংক দেখেছেন যার পাশে Ads by Google লেখা।এগুলিই এডসেন্স বিজ্ঞাপন। আপনার ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য এডসেন্স এর রেজিষ্ট্রেশন করাই যথেষ্ট। এরপর ওয়েবপেজে কোন ভিজিটর যখন কোন লিংকে ক্লিক করবেন তখন সেই সাইটের মালিক হিসেবে আপনি টাকা পাবেন। প্রতি ক্লিকের জন্য কয়েক সেন্ট থেকে শুরু করে কয়েক ডলার পর্যন্ত। মাসে আয় হতে পারে কয়েকশ ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার। ফল পাওয়া যায় সাথেসাথে।
এডসেন্স কিভাবে কাজ করে জানার জন্য আরো কিছু বিষয়ে ধারনা থাকা প্রয়োজন। যেমন গুগল এডওয়ার্ডস। কোন কোম্পানী বা ব্যক্তি যদি গুগলকে ব্যবহার করে ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দিতে চান তাহলে তাকে বলতে হয়, আমি অমুক বিজ্ঞাপন অত দিনের জন্য দিতে চাই, প্রতি ক্লিকের জন্য অত পরিমান টাকা দেব। তাদের সাথে গুগলের চুক্তি এটুকুই। এটাই এডওয়ার্ডস।
ধরুন কোন কোম্পানী তার পন্যের বিজ্ঞাপনের জন্য গুগলের সাথে যোগাযোগ করল মাসে ১০ হাজার ডলারের। প্রতি ক্লিকে তারা ১ ডলারের বেশি দেবে না।
গুগল তাদের বিজ্ঞাপনকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেয়। আপনি এডসেন্সের সদস্য হলে আপনার ওয়েবসাইটেও সেটা পেতে পারেন। কেউ সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার একাউন্টে ১ ডলার হিসেব জমা হবে। আপনি যে কোন সময় আপনার হিসেব জানার সুযোগ পাবেন। মাসে একবার যদি বিল করতে চান তাহলে বিল করলে আপনার ঠিকানায় চেক পাঠাবে গুগল।
এখানে লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, যে কোম্পানীর এডসেন্স বিজ্ঞাপন সে জানে না তার বিজ্ঞাপন কোথায় দেখা যাবে। আপনিও কখনো নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ পাবেন না ঠিক কোন বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে পাবেন। যেহেতু বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের জন্য মুল্য বিভিন্ন রকম, আপনার ওয়েবসাইটে প্রতিক্লিকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন অর্থ পেতে পারেন। আপনার রিপোর্ট দেখে জানতে পারেন কোন ক্লিকের জন্য কত জমা হয়েছে। অভিজ্ঞতা বাড়লে কমটাকার ক্লিকের থেকে বেশিটাকার ক্লিকের বিজ্ঞাপনে বাছাইএর ব্যবস্থা করা যায়। তবে আগেই জানিয়ে রাখা ভাল, প্রতি ক্লিকে বেশি টাকা হলেই আপনি বেশি টাকা পাবেন এমন নিশ্চয়তা নেই। ভিজিটর যদি বেশি টাকার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার চেয়ে কমটাকার লিংকে নিয়মিত ক্লিক করে তাহলে আপনার আয়ের সম্ভাবনা বেশি।
মুল বিষয় হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর যত বেশি, ক্লিক করার সম্ভাবনা তত বেশি। আয় তত বেশি।
কাজটি কিভাবে করা সম্ভব দেখা যাক। আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। এখনও যদি না থাকে তাহলেও এই মুহুর্তেই সেটা শুরু করতে পারেন।
১. Blogger.com সাইটে গিয়ে একটি ব্লগ তৈরী করুন। কয়েকটি ক্লিক করাই যথেষ্ট। এজন্য আপনার একটি ইমেইল এড্রেস প্রয়োজন হবে।
২. পছন্দমত টেম্পলেট বাছাই করুন। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নানাধরনের ব্লগার টেম্পলেট পাওয়া যায়। পছন্দমত কোন একটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। শুরুতেই করতে হবে এমন কথা নেই, যে কোন সময় টেম্পলেট পরিবর্তন করে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বাড়ানো যাবে।
৩. ব্লগ পোষ্ট লিখতে শুরু করুন। কি নিয়ে লিখবেন ? আপনার যা ইচ্ছে। যদি গেম খেলতে ভালবাসেন গেমের রিভিউ লিখুন, মুভি দেখলে মুভির রিভিউ-খবর ইত্যাদি লিখুন। চারিদিকে লেখার মত বিষয়ের অভাব নেই।
৪. এডসেন্স একাউন্ট খুলুন। ব্লগার সাইটে এজন্য লিংক পাবেন। এখানে আপনার সাইটের ঠিকানা এবং পরিচিতি, আপনার ঠিকানা এসব তথ্য দিয়ে ফরম পুরন করতে হবে। এই ঠিকানায় আপনার নামে চেক পাঠানো হবে। আপনার সাইটে কোথায়, কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখা যাবে সেটা সিলেক্ট করলে তারাই বলে দেবে কিভাবে সেটা করতে হবে।
৫. বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে আপনার ব্লগের পরিচিতি লিখে দিন। ফলে সার্চ করে আপনার ব্লগ পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে, সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে প্রচার বাড়ান।
অল্পকথায় কাজ এটুকুই। এরপর একটু একটু করে আরো জানতে চেষ্টা করুন কিভাবে সাইটকে আরো উন্নত করা যায়, কিভাবে ভিজিটর বাড়ানো যায়, বিজ্ঞাপন কিভাবে রাখলে বেশি আয় করা যায়। এখানে কিছু সাধারন তথ্য উল্লেখ করা হচ্ছে;
১. ক্লিক করলেই আয় হয় একথা ভেবে নিজেই বারবার ক্লিক করবেন না। গুগল খুব সহজেই আপনার ক্লিক এবং ভিজিটরের ক্লিক চিনতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার এডসেন্স রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করা হবে।
২. বেশি ভিজিটর পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি ভাল ওয়েবসাইট তৈরী। অন্যভাবে, ভিজিটরের আগ্রহ থাকে এমন বিষয় রাখা। ভুলে যাবেন না গুগল মুলত সার্চ ইঞ্জিন। কোন ওয়েব সাইট সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বেশি, কোথায় কত ভিজিটর যায়, কতক্ষন থাকে, কি করে এসব তথ্য তাদের চেয়ে ভাল অন্য কেউ জানে না। তাদের ঠকাতে চেষ্টা করবেন না। সাইটের প্রচার এবং মুল সাইটের বিষয়ের মধ্যে গড়মিল করবেন না।
৩. আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন পাবেন সাইটের বিষয়ের সাথে মিল রেখে। যেমন বইয়ের সাইট হলে বিভিন্ন প্রকাশক, বই বা বিক্রেতার বিজ্ঞাপন, ফটোগ্রাফি সাইট হলে ক্যামেরা, নির্মাতা বা বিক্রেতার বিজ্ঞাপন ইত্যাদি। এডসেন্সে সাধারনভাবে মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং আপনার সাইটেও সেসম্পর্কিত তথ্য রাখুন।
৪. বিনে টাকায় শুরু করার জন্য গুগলের ব্লগার অবশ্যই ভাল যায়গা। আপনার কোন খরচই নেই। তাহলেও দীর্ঘ্যস্থায়ী সাইটের জন্য নিজস্ব ডোমেইন নেম, নিজস্ব হোষ্ট থাকাই ভাল। সেক্ষেত্রে ব্লগার ছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্লগার সহজ, কিন্তু ব্লগারের তুলনায় এগুলিতে কাষ্টমাইজ করার সুবিধে অনেক বেশি।
জানার জন্য এটুকু উল্লেখ করা যায়, ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ তৈরী করতে খরচ নেই কিন্তু সেখানে গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায় না। আর জুমলায় ফ্রি হোষ্টিং এর ব্যবস্থা নেই। ব্লাগার ছাড়াও আরো কিছু সাইট ফ্রি হোষ্টিং এর সুবিধে দেয়। এদের মধ্যে Tumblr এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
৫. সাধারনত বিজ্ঞাপন দেয়া হয় বিক্রির জন্য (পন্য অথবা সেবা)। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অনলাইন লেনদেন এর সম্ভাবনা বেশি। অথচ বাংলাদেশে অনলাইনে কেনাকাটার ব্যবস্থা নেই। অন্যভাবে বললে, বাংলাদেশ থেকে কেউ কিছু কেনার জন্য সাধারনত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে না। কাজেই বাংলায় ওয়েবসাইট তৈরী করলে এমনিতেই ক্লিকের সম্ভাবনা কমে যায়। যদি সম্ভব হয় সারা বিশ্বের জন্য ইংরেজিতে ওয়েবসাইট তৈরী করুন।
নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, নিজের খরচ চলার মত আয় পেতে কতটা সময় লাগতে পারে ?
খুবই গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন। এতে এমন জাদুকরী কিছু নেই যে রাতারাতি আপনি হাজার ডলার আয় করবেন। হাজার ডলার আয়ের জন্য অন্তত দুতিন বছর ক্রমাগত চেষ্টা করে ওয়েবসাইট উন্নত করার চেষ্টা করতে হতে পারে। এটুকু বলা যায়, একসময় ফল পাওয়া যাবেই। কাজেই দেরী না করে শুরু করাই উত্তম। এখনও যাকিছু শিখতে বাকি আছে সেগুলি ক্রমে শিখে নেয়া যাবে।
উন্নতমানের ওয়েবসাইট তৈরী, ওয়েবসাইটের প্রচার বাড়ানো, সার্চ ইঞ্জিন যেন সহজে খুজে পায় সে ব্যবস্থা করা (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও), এডসেন্স বাছাই করা, নির্দিষ্ট এডসেন্স ব্লক করা, এডসেন্স ছাড়াও আয়ের অন্যান্য পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে আগামীতে লেখা হবে।
- Labels: Blogging and Earning
- (0) Comments
Subscribe to:
Posts (Atom)

